শিরোনাম :
নবীনগরে রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে ফসলি জমি কাটার সময় ইউএনও’র বিশেষ অভিযানে আটক ৩  আর কখনো পাঠকের হাতে পত্রিকা তুলে দিবেন না লোকমান হেকিম চৌধুর নবীনগরে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহ আলমের মতবিনিময় নবীনগরে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, শিক্ষাবৃত্তি প্রদান ও শেখ হাসিনা একাডেমিক ভবন উদ্বোধন নবীনগরে ২৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমি সহ পাকাঘর প্রদান নবীনগরে পিস্তলসহ এক যুবক গ্রেফতার নবীনগরে মাদকাসক্ত ছেলের ছুরির আঘাতে পিতা হাসপাতালে- অবস্থা শঙ্কামুক্ত না হওয়ায় ঢাকায় প্রেরণ  নবীনগর পৌরসভার মেয়র শিব শংকর দাশ ৩ হাজার তালের চারা গাছ রোপন করেছেন নবীনগরে ২দিন ব্যাপী সাহিত্য মেলার উদ্বোধন নবীনগরে তুচ্ছ ঘটনায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ৩০
শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১২:৩৫ অপরাহ্ন

রানীশংকৈলে দুই পশুর হাটে অতরিক্তি খাজনা আদায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানেও মিলছে না প্রতিকার

প্রতিনিধির নাম / ৫৬ বার
আপডেট : রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩

রাণীশংকলৈ(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও রানীশংকৈল উপজলোর ঐতিহবাহী সাপ্তাহিক নেকমরদ ও কাতিহার পশুর হাটে অতরিক্তি খাজনা আদায়ের অভিযোগ একাধিকবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের মাধ্যমে র্অথদন্ডের সাজা হলেও, মিলছে না প্রতিকার। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। হাট দুটি প্রতি সপ্তাহের শনিবার কাতিহার ও রবিবার নেকমরদে বসে।অভিযোগ রয়েছে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে ইজারাদারদের একাধিকবার শাস্তি হিসাবে র্অথদন্ড প্রদান করলেও। অতিরিক্ত খাজনা আদায় তোলা বন্ধ হচ্ছে না।

জানা গেছে,১৪৩০ বাংলা সনের জন্য নেকমরদ পশুর হাট প্রায় দেরকোটি টাকা দিয়ে ইজারা নিয়েছেন নেকমরদ এলাকার ব্যবসায়ী তোজাম্মেল হোসনে অপরদিকে কাতিহার পশুর হাট ১ কোটি ১৩ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছেন বাচোর এলাকার সানোয়ার হোসনে লিয়ন।তারা হাট দুটি পহেলা বৈশাখের ২ ও ৩ তারিখে বছরের প্রথম খাজনা আদায়ের শুরু করেন। এদিন থেকে তারা গরু প্রতি ৪০০ টাকা, ছাগল প্রতি ১৫০ টাকা হিসাবে খাজনা আদায় করে চলেছেন।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ নির্ধারিত দর অনুযায়ী গরু প্রতি ২৩০ টাকা, ছাগল প্রতি ৯০ টাকা নেওয়ার বিধান রয়েছে। এসব বিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তারা অতিরিক্ত খাজনা আদায় করে চলছে।তবে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের প্রতিবাদে গত ১৬ ও ২৩ এপ্রিল নেকমরদ পশুর হাট সংলগ্ন মহাসড়কে মানবন্ধন করছেে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এসব মানববন্ধন ও প্রতিবাদের কারণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি ইন্দ্রজিত সাহা ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিজান চালিয়ে পর পর তিনটি হাটে মোট ৫১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে জরিমানা আদায় করেছেন । অপরদিকে কাতিহার হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগে ১৩ মে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইন্দ্রজিৎ সাহা। তবে খাজনা আদায়ের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থের সাজা প্রদান করলেও অতিরিক্ত খাজনা আদায় তোলা বন্ধ হচ্ছে না।

স্থানীয় পশু ব্যবসায়ী মমিনুল ইসলাম,আদাবর আলীসহ একাধিক ব্যবসায়ী রোববার হাটচলাকালীন এ প্রতিবেদক কে বলেন, প্রশাসনের কাছে অভযিোগ করার পর তারা লোক দেখানো ব্যবস্থা নেই। হাটে এসে সামান্য জরিমানা করেই চলে যান। হাটের দিন কমপক্ষে ৫শত গরু ক্রয় বিক্রয় হয়। ছাগল হয় দের থেকে ২শতটির মত। সে হিসাবে গরুতে অতিরিক্ত টাকা নেই প্রায় ৮৫ হাজার অপরদিকে ছাগলে অতিরিক্ত টাকা নেই ১২ হাজার টাকা। আর প্রশাসন অভিযোগ পেলে এসে জরিমানা করে সামান্য কিছু টাকা মাত্র।

ব্যবসায়ীরা বলেন, নেকমরদ পশু হাটে ইতিমধ্যে তিনবার(১০ হাজার,১৬ হাজার,২৫ হাজার) মোট ৫১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।কাতিহার হাটে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। তবে খাজনা বেশি নেওয়ার অপরাধে জরিমানা করলেও। ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালীনও অতিরিক্ত খাজনা আদায় হয়ে থাকে বলে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ রয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, লোক দেখানো ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। কারণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে যদি অপরাধটি বন্ধ না হয় তাহলে সাধারণ মানুষের তো কোন উপকারে আসছে না। বন্ধ হচ্ছে না অতিরিক্ত খাজনা তোলা।
গত শনবিার কাতহিার ও রোববার নেকমরদ হাটে গিয়ে দেখা যায়, তারা যথারিতিতে গরু প্রতি ৪০০ টাকা ছাগল প্রতি ১৫০ টাকা খাজনা আদায় করছে।

জানতে চাইলে কাতিহার হাট ইজারাদার সানোয়ার হোসনে লিয়ন বলেন, অন্যান্য হাটে বেশি খাজনা আদায় করা হয়। তাই কাতিহার হাটেও খাজনা বেশি নেওয়া হয়। তাছাড়া খাজনা বেশি তোলার বিষয় টি প্রশাসন জানে। তারা তো কখনো কিছু বলে নি। নেকমরদ হাট ইজারাদার তোজ্জাম্মেল হোসনে বলনে, বিষয়টি নিয়ে আপনার সাথে দেখা করে কথা বলবো। তবে মুঠোফোনে কোন মন্তব্য করতে তিনি রাজি হননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির বলেন, হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে একাধিকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেও যেহেতু অতিরিক্ত খাজনা তোলা বন্ধ হচ্ছে না। এটা নিয়ে কি করা যায়, তার সঠিক সুরাহা দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক মহোদয়কে বলা হয়েছে।খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা হবে বলে তিনি মন্তব্য করনে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ