Home / ইসলামী জীবন / যে প্রেমে মানুষ নিষ্পাপ হয়ঃ—————–

যে প্রেমে মানুষ নিষ্পাপ হয়ঃ—————–

হজরত মুহাম্মদ মুজতবা আহম্মদ মুজতবা (স.)-এর আংগিক গঠন ও সৌন্দর্য ।তাঁর নূরানী চেহারা মোবারক জামালে এলাহির দ্রপন ও অসীম নূরের বহিঃপ্রকাশের আধারঃ-

(১) হুজুর পাক স. মানব কুলের মধ্যে সর্বাধিক সুন্দর ও কমনীয়। হজরত আবু হুরায়রা ( র.) বলেন, হুজুর পাক স.-এর চেয়ে সুন্দর কোন কিছুই আমার দৃষ্টিগোচর হয়নি।
(2) হুজুর পাক স. এর ললাট মুবারক চন্দ্রের মত ঝকঝক করতো। হজ রত জাবের ইবনে সামুরাই ( রা,) বলেন , “আল্লাহর কসম চাঁদের উজ্জলতা অপেক্ষা রসুল পাক (স.) কে আমার কাছে বেশী সুন্দর মনে হলো।‘’
(৩) ) হুজুর পাক স. এর আখিঁযুগল ছিল পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে মায়াবী চোখ। ) হুজুর পাক স. এর চোখ মুবারক সুরমা দেওয়া ছাড়াই সুরমাযুক্ত দেখাত ।
(৪) হুজুর পাক স. এর আখিঁযুগল দ্বারা সামনে যেরকম দেখতে পারতেন ,রাতেও সে রকম দেখতে পেতেন এবং ডানে- বাম ও পেছনে না তাকাইয়া ও সেই একইরকম দেখতে পেতেন।
(৫) হুজুর পাক স. এর আখিঁযুগল এর দৃষ্টিশক্তি এতই প্রখর ছিল যে ছুরাইয়া নক্ষত্ররাজীর অভ্যন্ত্ররে ১১টি নক্ষত্র তিনি পরিস্কার দেখতে পেতেন ।
(৬) হুজুর পাক স. বলেন, “ আমি ঐসমস্ত জিনিস দেখতে পাই যা তোমরা দেখতে পাওনা । আর আমি ঐ সমস্ত ধ্বনি শুনতে পাই যা তোমরা শুনতে পাওনা’’
(৭) হুজুর পাক স. সব সময় মৃধু হাসি হাসত ( তাবাসুম) তখন দন্ত মোবারক থেকে ঝিনুক পাটি থেকে পরিছন্ন মুক্তার দানার মত বেরিয়ে আসত এবং পার্শবর্তী দেয়াল আলোকিত হয়ে যেত।
(৮) হুজুর পাক স. এর মুখের লালা মুবারক রোগিদের জন্য পরিপূর্ন শেফা ছিল ।মৃগনাভী কস্তুরীর মত সুঘ্রান ছড়াত । সাহাবীরা লালা মোবারক আতর হিসাবে ব্যবহার করত।
(৯০) হুজুর পাক স. এর মুখের লালা মুবারক মুখের লালা মুবারক একবার মদীনার কুপে ফেললে ঐ কুপের পানি মদীনার সমস্ত কুপের পানির চেয়ে অধিক সুস্বাধু হয়েছিল । লালা মুবারক আতর হিসাবে ব্যবহার হত। আর অনেক কাজে ব্যবহার হত।
(১০) হুজুর পাক স. এর কন্ঠ মুবারক সীমাহীন প্রেমে ভরপুর ছিল । এর চেয়ে সুন্দর আওয়াজ ও মিষ্টি কথা পৃথিবীর কোন মানুষের নেই ।
(১১) হুজুর পাক স. এর বগল মুবারক তারঁ দেহের মতই শুভ্র ও পশমহীন ছিল ।
(১২) হুজুর পাক স. এর হস্ত মুবারক রেশমের চেয়ে নরম ও মুলায়েম ছিল । তারঁ সমস্ত দেহ মুবারক নরম,কোমল ওসুদৃঢ় ছিল ।
(১৩) হুজুর পাক স. এর সাথে কেহ মুসাফেহা করলে বা তার হস্ত মোবারক স্পর্শ করলে সমস্ত দিন হাত থেকে মেশক আম্বরের চেয়ে অধিক ঘ্রান বের হতো ।
(১৪) হুজুর পাক স. এর ঘাম ওপেশাব মুবারক থেকে খোশবু বের হত। (খোশবু মানে সুঘ্রান)
(১৫) হুজুর পাক স. নুরের তৈরী। তাই তারঁ দেহ মুবারকের কোন ছায়া ছিল না । সুর্যের আলোতে ও চাদেঁর আলতে তারঁ কোন ছায়া পড়ত না ।
(১৬) হুজুর পাক স. এর ছিল উজ্জ্বল ও দ্যুতিময় । তারঁ শরীর মুবারকে কখনো মশা, মাছি বসত না ।
(১৭) হুজুর পাক স.হাউন হাটাঁ হাটঁতেন । যে হাটাঁ উত্তম । ১০ প্রকারের হাটাঁর মধ্যে হাউন হাটাঁ উত্তম। হাউন মানে পূর্ণপদচারণা এবং গতিময় পদিক্ষেপ ।এটা তারঁ স্বভাব্ জাত হাটাঁ অ্যাা প্রশান্তিময়, ম্রর্যাদা –পূর্ণ অ নিরহংকার হওয়ার পরিচায়ক ।
(১৮) হুজুর পাক স. এর থুতু মুবারক মেসকে আম্বরের গন্ধ আসত ও রোগ নিরাময় হিসাবে কাজ করত।যার অনেক উদারন আছে।
(১৯) হুজুর পাক স. এর ঘাম মুবারক মেসকে আম্বরের গন্ধ আসত ও রোগ নিরাময় হিসাবে কাজ করত।
(২০) হুজুর পাক স. এর ঘাম মুবারক থেকে সাদা ফুল অর্থাৎ চামেলী ফুল এবং জিব্রাইল আ> এর ঘ্রাম মবারক থেকে চাপা ফুলের জন্ম ।
গ্রন্থঃ – মাদারেজুন নবুওয়াত-( প্রথম খন্ড )শায়েখ আব্দুয়াল হক মোহাদ্দেছে দেহলভী (রহ.) বাংলা অনুবাদক-মাওলানা মমিনুল হক ( চলমান———–)

মো. কামরুজ্জামান (সহকারি শিক্ষক ), বাতাকান্দি সরকার সাহেব আলি আবুল হোসেন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়, তিতাস, কুমিল্লা । মোবাইল নং ০১৮১৮৪৪২২৯৭

Check Also

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের ২৫ ও ২৬ ডিসেম্বরের দুই দিনের আনুষ্ঠানিক করসেবা (মাটির ব্যাংক)

ঈদে মিলাদুন্নবী (স) করসেবা——————————————————— ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৫ নবীজী (স)-এর অনুসৃত মেহনতের পথই সাফল্যের পথ আমরা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *