শিরোনাম :
নবীনগর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম এর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন নবীনগরে দুই সন্তান ও আলিশান বাড়ি-ঘর রেখে কন্ট্রাক্টারের হাত ধরে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী  নবীনগরে নবনির্মিত শহীদ মিনারের শুভ উদ্বোধন করলেন ইউএনও নবীনগরে মাটি ফেলে খাল দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে গ্রামবাসী বহুল প্রতীক্ষিত নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়কের কাজের শুভ উদ্ভোধন সাধক ফকির আফতাবউদ্দিন খাঁ ৮১ তম বাৎসরিক ওরশ পালিত নবীনগরে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করতে গিয়ে ৬৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার  নবীনগরে হোপের পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত আলমনগর গ্রামের ৭৫ বছরের পুরাতন বাৎসরিক কালি পূজা ও মন্দির উন্নয়নের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত  গুরুতর অসুস্থ এডভোকেট জাকারিয়া সরকার তছলিম ভাইয়ের পাশে আমরা কি দাঁড়াতে পারি না ??
সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১০:১৬ অপরাহ্ন

মানুষটি একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় কবি।

প্রতিনিধির নাম / ২০ বার
আপডেট : শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২

তিতাস নিউজ ডেস্কঃ

পরনে সাদা ধুতি ও কুর্তা। পিঠ পর্যন্ত লম্বা তেল জবজবে চুল। পায়ে জুতো নেই। এমন চেহারার ঘুগনি বিক্রেতা স্বাভাবিক ভাবেই কারোর নজরে আসে না। কিন্তু অনেকেই জানেন না অত্যন্ত অনাড়ম্বর জীবন কাটানো এই মানুষটি একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় কবি।িি

ক্লাস থ্রি পর্যন্ত পড়া এই ঘুগনি বিক্রেতা কবি কে নিয়ে ৫ জন পি এইচ ডি করেছেন এবং ১৪ জন স্কলার গবেষণা করছেন। তাঁর ঝুলিতে রাষ্ট্রপতি পদক ‘পদ্মশ্রী’, সম্বলপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত ‘সাম্মানিক ডক্টরেট’, ওড়িশার ‘সাহিত্য একাডেমী’ এর মতো পুরস্কার। এমন কি তাঁর গ্রন্থগুলি সম্বলপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স এর সিলেবাসে স্থান পেয়েছে।

ওড়িশার বড়গড় জেলার ঘেনসে গ্রামে ১৯৫০ সালের ৩১ মার্চ এক অত্যন্ত গরিব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এই কবি। মাত্র ১০ বছর বয়সেই পিতা-মাতা কে হারান। দারিদ্রতার জন্য মাত্র তৃতীয় ক্লাস পর্যন্ত পড়ার পরই পড়াশোনায় তাঁর ছেদ পড়ে। তারপর কখনও হোটেলে কাপ ধোয়ার কাজ, কখনও হোস্টেলে রাধুনির কাজ, কখনও বা ঘুগনি বিক্রির মতো কাজ করতে বাধ্য হন। তবুও কখনও জীবন যুদ্ধে তিনি হার মানেন না। তবুও তাঁর রক্ত থেকে কখনও কবি প্রতিভা হারিয়ে যায় নি। তিনি লিখতে থাকেন। সেইসঙ্গে কবিতা আবৃত্তি ও গানও গাইতেন।

কোশলি ভাষার এই কবির প্ৰথম কবিতা ‘ধোদো বড়গাছ’ (বুড়ো বটগাছ)। তাঁর রচনাগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘ভাব’ ‘সুরত’ সহ বহু জনপ্রিয় কবিতা। ‘আচিয়া’ ‘বাছার’ ‘মহাসতী উর্মিলা’ ‘তারা মন্দোদরী’ ‘শিরি সামালাই’ ‘প্রেম পইচান’ ‘বীর সুরেন্দ্রসাই’ ‘শান্ত কবি ভিমাভাই’ ‘প্রেম কবি গঙ্গাধর’ ইত্যাদি মোট ২০ টি মহাকাব্যের রচয়িতা এই কবি। তাঁর কাব্যগুলি সংকলিত করে প্রকাশিত হয়েছে হলধর গ্রন্থাবলী, হলধর গ্রন্থাবলী-২ এবং তাঁর তৈরি নতুন কাব্যধারা ‘হলধর ধারা’ নামে বিশ্বে সমাদৃত।

মা সরস্বতীর বরপুত্র মহাকবি অথচ অতি সাধারণ মানুষটি হলেন ‘লোক কবিরত্ন’ ‘পদ্মশ্রী’ কবি হলধর নাগ।

অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই তাঁর চরণে….

পাশে থাকুন । যদি আমাদের কাজ আপনাদের ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই লাইক;শেয়ার করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ