শিরোনাম :
নবীনগরে রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে ফসলি জমি কাটার সময় ইউএনও’র বিশেষ অভিযানে আটক ৩  আর কখনো পাঠকের হাতে পত্রিকা তুলে দিবেন না লোকমান হেকিম চৌধুর নবীনগরে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহ আলমের মতবিনিময় নবীনগরে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, শিক্ষাবৃত্তি প্রদান ও শেখ হাসিনা একাডেমিক ভবন উদ্বোধন নবীনগরে ২৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমি সহ পাকাঘর প্রদান নবীনগরে পিস্তলসহ এক যুবক গ্রেফতার নবীনগরে মাদকাসক্ত ছেলের ছুরির আঘাতে পিতা হাসপাতালে- অবস্থা শঙ্কামুক্ত না হওয়ায় ঢাকায় প্রেরণ  নবীনগর পৌরসভার মেয়র শিব শংকর দাশ ৩ হাজার তালের চারা গাছ রোপন করেছেন নবীনগরে ২দিন ব্যাপী সাহিত্য মেলার উদ্বোধন নবীনগরে তুচ্ছ ঘটনায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ৩০
শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০১:০৫ অপরাহ্ন

মাধবদীতে কাঠালিয়া ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন।

প্রতিনিধির নাম / ৫৫ বার
আপডেট : বুধবার, ২১ জুন, ২০২৩

মুহাম্মদ মুছা মিয়াঃ মাধবদীতে একচ্ছত্র আধিপত্য ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদকে দূর্নীতির আখড়ায় পরিণত করা ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কটুক্তির প্রতিবাদে কাঠালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান এবাদুল্লাহ’র অপসারণের দাবিতে কাঁঠালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আয়োজনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার ২০ জুন বিকেলে কাঠালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এবাদুল্লাহ চেয়ারম্যান
ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে গোটা ইউনিয়ন বাসীকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে।
বিগত এক বছর পূর্বে প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদের মৃত্যু হলে আসনটি শূন্য হয়ে যায়।পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবাদুল্লা দলীয় মনোনয়ন পান।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন ইতোপূর্বে এবাদুল্লা চেয়ারম্যান থাকাকালীন তার দুর্নীতির কারণে এলাকাবাসী তাকে বয়কট করে। এবার মনোনয়ন পাওয়ার পর সে এলাকাবাসীর কাছে জীবনে আর কোন দুর্নীতির করবেনা বলে অঙ্গীকার করে। তার কথায় সরল বিশ্বাসে এলাকাবাসী তাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। কিন্তু চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটুক্তি করা সহ বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটে মেতে উঠেন। বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বিধবা ভাতা ও মাতৃত্বকালীন ভাতা থেকে শুরু করে সকল প্রকার ভাতার জন্য তিনি ৫/৭ হাজার টাকা করে ঘুষ নিয়ে থাকেন। জন্মনিবন্ধন ও ওয়ারিশ সনদের জন্য ১২/১৫ হাজার টাকা করে নিয়ে থাকেন। কেউ তার চাহিদা অনুযায়ী টাকা না দিলে তিনি সেই ফাইল আটকে রেখে তাদের জিম্মি করে টাকা আদায় করেন। তাছাড়া যে কোন ধরনের বিচারের জন্য তাকে অগ্রিম ২০/৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। ইউনিয়ন পরিষদে যে কোন ধরনের সেবা পেতে হলে টাকা ছাড়া কোন সেবা পাওয়া যায় না।
সর্বোপরি ইউনিয়ন পরিষদকে তিনি টাকা কামানোর আখড়ায় পরিণত করে রেখেছেন। তাই তাকে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ পূর্বক তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও মাতৃত্বকালীন ভাতা বঞ্চিত কয়েক শতাধিক নারী পুরুষ এবাদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ও এর আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মাধবদী, নরসিংদী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ