Home / জাতীয় / ব্যারিস্টার রফিকুলসহ বিএনপির ৩৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ব্যারিস্টার রফিকুলসহ বিএনপির ৩৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

২২ জুন (তিতাস নিউজ): পেট্রলবোমা বিস্ফোরণ মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ও যুগ্ম-মহাসচিব আমান উল্লাহ আমানসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা আজ (সোমবার) তাদের বিরুদ্ধে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। পেট্রোলবোমা বিস্ফোরণ মামলায় আসামিরা পলাতক থাকায় এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

অভিযোগপত্রে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমানসহ ৩৩ জনকে পলাতক দেখানো হয় এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও জনৈক লিটন ব্যাপারীকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজিজুল বারী হেলাল, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নীরব।

এর আগে ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ মিরপুর মডেল থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বিএপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও আমান উল্লাহ আমানসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এদিকে,  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার ও যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ ৩১ জনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন শুনানির জন্য ৪ আগস্ট ধার্য করেছে আদালত।

ঢাকা মহানগর হাকিম আমিনুল হক সোমবার এ দিন ধার্য করেন। সোমবার আবেদনটি  শুনানির দিন ধার্য ছিল। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে হাজির না হওয়ায় ৪ আগস্ট অব্যাহতি দিন ধার্য করেন আদালত।

সাবেক মন্ত্রী এম কে আনোয়ারসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ প্রমাণ করার মতো সাক্ষ্যপ্রমাণ না পাওয়ায় চলতি বছরের ১৯ মে মামলার দায় হতে তাদেরকে অব্যাহতির দেয়ার প্রার্থনা করেন।

অপরদিকে, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হাবিব উন-নবী খান সোহেলসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

মামলায় অব্যাহতি চেয়ে আবেদনকারী বিএনপি নেতাদের মধ্যে রয়েছেন,  বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল মিন্টু, আমান উল্লাহ আমান, বরকত উল্লাহ বুলু, মিজানুর রহমান মিনু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু ও ছাত্রদল নেতা মৃত নরুজ্জামান জনিসহ ৩১ জন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি রাজধানীর সেগুনবাগিচার শিল্পকলা একাডেমির সামনে ২০ দলের ডাকা হরতাল-অবরোধ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি রমনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) শফিউল ইসলাম মামলাটি করেন।

Check Also

কুমিল্লায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা চালু করেছে সেনাবাহিনী

ডেস্ক রিপোর্ট ● কুমিল্লায় বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে ভ্রাম্যমান চিকিৎসাসেবা চালু করেছে বাংলাদেশ সেনাবা’হিনী, কুমিল্লা এরিয়া। ...