শিরোনাম :
নবীনগর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম এর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন নবীনগরে দুই সন্তান ও আলিশান বাড়ি-ঘর রেখে কন্ট্রাক্টারের হাত ধরে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী  নবীনগরে নবনির্মিত শহীদ মিনারের শুভ উদ্বোধন করলেন ইউএনও নবীনগরে মাটি ফেলে খাল দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে গ্রামবাসী বহুল প্রতীক্ষিত নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়কের কাজের শুভ উদ্ভোধন সাধক ফকির আফতাবউদ্দিন খাঁ ৮১ তম বাৎসরিক ওরশ পালিত নবীনগরে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করতে গিয়ে ৬৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার  নবীনগরে হোপের পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত আলমনগর গ্রামের ৭৫ বছরের পুরাতন বাৎসরিক কালি পূজা ও মন্দির উন্নয়নের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত  গুরুতর অসুস্থ এডভোকেট জাকারিয়া সরকার তছলিম ভাইয়ের পাশে আমরা কি দাঁড়াতে পারি না ??
সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১০:০৯ অপরাহ্ন

নবীনগর খারঘর গণকবরে দর্শনার্থীদের জন্য সুসজ্জিত বিশ্রামাগার উদ্বোধন

প্রতিনিধির নাম / ৬২ বার
আপডেট : বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২২

নবীনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গণকবরে দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে বিশ্রামাগার উদ্বোধন করা হয়েছে।আজ বুধবার দুপুরে বিশ্রামাগার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার একরামুল ছিদ্দিক।

এসময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার পারভেজ আহমেদ,বড়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন,সাবেক উপজেলা ডেপুটি কমান্ডার শামসুল আলম সরকার,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা রহমান নান্নু মাস্টার,বীরমুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম সাহন, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ রজ্জব আলী, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা জামাল, মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, প্রমুখ।

উল্লেখ্য ১৯৭১ সালে ১০ অক্টোবর বর্বর পাক বাহিনী নদী পথে জাহাজে এসে খারঘরে এলোপাতাড়ি আক্রমন করে। এ সময় হত্যা করে ৪৩ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে। তাদের নির্যাতনের শিকার হয়ে আহত হয় ১শ ২৭জন।নিহতদের একই সাথে গণকবর দেওয়া হয় এই স্থানটিতে। এরি প্রেক্ষিতে স্মৃতিসৌধ-৭১ নির্মাণ হয়। বিভিন্ন সময় শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে সভা সেমিনার হলেও বিশ্রামের কোন ব্যবস্থা না থাকায় দূর থেকে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের স্বজন ও দর্শনার্থীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল সিদ্দিকের নজরে আসলে তিনি নিজ উদ্যোগে সকলের জন্য সুসজ্জিত একটি বিশ্রামাগার নির্মাণ করে দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল ছিদ্দিক বলেন,গণহত্যা দিবসে এসে দেখি বিশ্রামের কোন জায়গা নেই। শহীদদের কবরের পাশে বসার মত কোন জায়গা না থাকাই অনেকটাই ব্যথিত হয়েছিলাম। এরিপ্রেক্ষিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা সহ দর্শনার্থীরা যেন এখানে এসে বিশ্রাম নিতে পারে সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই বিশ্রামাগারটি নির্মাণ করে দেয়। আমাকে এ কাজের জন্য যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ