শিরোনাম :
নবীনগর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম এর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন নবীনগরে দুই সন্তান ও আলিশান বাড়ি-ঘর রেখে কন্ট্রাক্টারের হাত ধরে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী  নবীনগরে নবনির্মিত শহীদ মিনারের শুভ উদ্বোধন করলেন ইউএনও নবীনগরে মাটি ফেলে খাল দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে গ্রামবাসী বহুল প্রতীক্ষিত নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়কের কাজের শুভ উদ্ভোধন সাধক ফকির আফতাবউদ্দিন খাঁ ৮১ তম বাৎসরিক ওরশ পালিত নবীনগরে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করতে গিয়ে ৬৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার  নবীনগরে হোপের পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত আলমনগর গ্রামের ৭৫ বছরের পুরাতন বাৎসরিক কালি পূজা ও মন্দির উন্নয়নের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত  গুরুতর অসুস্থ এডভোকেট জাকারিয়া সরকার তছলিম ভাইয়ের পাশে আমরা কি দাঁড়াতে পারি না ??
সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১০:০৫ অপরাহ্ন

নবীনগর উপজেলা আ.লীগের সম্মেলন: কে হবেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক

প্রতিনিধির নাম / ৮৫ বার
আপডেট : শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২২

নবীনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি:
আজ ২৭ নভেম্বর রবিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় দীর্ঘ আট বছর পর অবশেষে আওয়ামীলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে কাংখিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন করে নবীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কারা নির্বাচিত হবেন, তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

আওয়ামীলীগ ছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন মহলেও সম্মেলন নিয়ে চলছে নানা হিসেব নিকেশ ।

জানাযায়, দীর্ঘ ৮ বছর পর আজ ২৭ নভেম্বর নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিতব্য দলটির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের নব নির্বাচিত সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা রআম উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী এমপি। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি। সম্মেলনে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবাদুল করিম বুলবুলসহ কেন্দ্রীয় ও জেলার শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত
থাকবেন। এতে সভাপতিত্ব করবেন নবীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল।

আসন্ন সম্মেলনে নতুন করে ‘সভাপতি’ পদে দু’জনের নামই এখন সবচেয়ে জোরে সোরে সর্বত্র আলোচনা হচ্ছে। তারা হলেন-বর্তমান সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুল এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল। এ ছাড়া দলের সিনিয়র সহ সভাপতি, সাবেকছাত্রনেতা নিয়াজ মোহাম্মদ খান ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিমের নামও ‘সভাপতি’ পদে কেউ কেউ গুরুত্ব দিয়েই আলোচনা করছেন। তবে ‘সাধারণ সম্পাদক’ পদে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ জনের নাম বিভিন্ন সূত্র ও ফেসবুকের মাধ্যমে নানাভাবে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে নেতাকর্মীরা।

স্থানীয়রা জানান, দলের গুরুত্বপূর্ণ ‘সাধারণ সম্পাদক’ পদ পেতে ইচ্ছুক ওই ১০ নেতা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও নবীনগর পৌরসভার মেয়র এডভোকেট শিব শংকর দাস, নবীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি এডভোকেট সুজিত কুমার দেব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন চৌধুরী শাহান, জেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা ব্যারিষ্টার জাকির আহাম্মদ, জেলা
আওয়ামীলীগের সদস্য, সাতমোড়া ইউপির চেয়ারম্যান জসিম
উদ্দিন আহাম্মদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা সফিকুল ইসলাম শফিক, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. মিজানুর রহমান, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক সাংবাদিক নিয়াজুল হক কাজল, উপজেলা আওয়ামীলীগের দুই সদস্য, সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা কাজী জহির উদ্দিন ছিদ্দিক টিটো ও ঢাকার সাবেক ছাত্রনেতা, উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, ‘সভাপতি’ পদে যাঁদের নামই শোনা
যাক না কেন, বর্তমান সাংসদ এবাদুল করিম বুলবুল কিংবা
বর্তমান সভাপতি ও সাবেক সাংসদ ফয়জুর রহমান বাদল এ দুজনের একজনই এ দায়িত্ব পাবেন, এটি প্রায় নিশ্চিত।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতা জানান, ফয়জুর
রহমান বাদল গত টার্মে নবীনগরের সার্বিক উন্নয়নে অভূতপূর্ব
অবদান রাখার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে তাঁর নানান কর্মযজ্ঞে খুবই জনপ্রিয় ছিলেন। তবে বাদলের পর এবাদুল করিম বুলবুল সংসদ সদস্য হয়ে বিএনপির দখলে থাকা উপজেলা চেয়ারম্যান, দুটি ভাইস চেয়ারম্যান ও পৌরমেয়র পদটি তাঁর ক্যারিশমায় উদ্ধার করেন।

নেতাকর্মীদের অনেকেই জানান, আওয়ামীলীগের হারিয়ে যাওয়া পাঁচ পাঁচটি প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ পদকে এবাদুল করিমযেভাবে শ্রম দিয়ে উদ্ধার করেছেন, তাতে এইমুহুর্তে বাদলকে হারিয়ে ‘সভাপতি’ পদে এবাদুল করিম নতুন করে নির্বাচিত হয়ে গেলে আশ্চর্য হওয়ার তেমন কিছু থাকবেনা।
কারণ, গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে জনবান্ধব ও ‘কর্মীবান্ধব’ নেতা হিসেবে ফয়জুর রহমান বাদলের যে আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা ছিলো, উল্লেখিত পাঁচজনকে অনেকটা একক প্রচেষ্টায় প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় ‘জনপ্রতিনিধি’ বানিয়ে বাদলের সেই ঈর্ষণীয় জনপ্রিয়তায় সেখানে বেশ ভালো করেই ‘ভাগ’ বসিয়েছেন ‘নির্বাচনী অভিজ্ঞ খেলোয়ার’ হিসেবে ইতিমধ্যে নিজেকে তৈরী করা এবাদুল করিম এমপি।

অন্যদিকে স্থানীয় নেতারা জানান, ‘সাধারণ সম্পাদক’ পদে ১০/১২ জন যেসব নেতার নাম শুনতে পাচ্ছি, সেক্ষেত্রে সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন হবে নাকি কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দের সিলেকশনে নতুন কমিটি গঠিত হবে, সেটির ওপরই নির্ভর করবে নানান হিসাব নিকাশ!
সেক্ষেত্রে স্থানীয় নেতাকর্মীসহ পর্যবেক্ষকদের সব হিসেব নিকেশ উলট পালট করে ‘বর্তমান সভাপতি, সাবেক সফল ও জনপ্রিয় সাংসদ ফয়জুর রহমান বাদল ‘সভাপতি’ পদে এবং তিন তিন বারের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকারী ‘অভিজ্ঞ খেলোয়ার’ হিসেবে সব মহলে সুপরিচিত এম এ হালিমই যদি ‘সাধারণ সম্পাদক’ পদে নতুন কমিটিতে পুনরায় থেকে যান, তাতেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবেনা বলে অনেকেই মত প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে এম এ হালিম বলেন, সম্মেলনে আমি কখনও প্রার্থী
হবোনা। আমি বঙ্গবন্ধুর একজন সামান্য সৈনিক হিসেবে
আওয়ামীলীগে আজীবন কাজ করে যেতে চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ