Home / তিতাসের খবর / তিতাসে ভ্রাম্যমান পতিতা সর্দারণীসহ দুই পতিতা আটক

তিতাসে ভ্রাম্যমান পতিতা সর্দারণীসহ দুই পতিতা আটক

12 জুন (তিতাস নিউজ): কুমিল্লার তিতাসে নতুন ওসি হিসেবে মনিরুল ইসলাম পিপিএম যোগদানের পর থেকেই অপরাধ দমনে যুগান্তকারী পদক্ষেপে নানাহ প্রশংসায় ভেসেছেন। তিনি যোগদানের পর থেকে ওয়ারেন্টভূক্ত শাসক দলীয় শীর্ষ নেতাসহ হত্যা মামলার আসামী, মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী, শিশু অপহরনকারীসহ কেহই ছাড় পাচ্ছে না। এই ওসি যোগদানের পর

থেকে থানার দালালরাও আত্মগোপনে চলে যায়। মাঝে মধ্যে দু’য়েকজন দালাল থানায় আসা যাওয়া করলেও তাঁর কাছ থেকে পাত্তা না পাওয়ায় পাছে গুঞ্জন করতে শুনা যায়।সবশেষ গতকাল দুপুরে তিতাসের আলোচিত মোবাইল পতিতার সর্দারণী মক্ষিরাণী সাধনাসহ দুই পতিতাকে আটক করে তিতাসবাসীর মনে আলোর সঞ্চার করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার গাজীপুর গ্রামের পাতলা পট্টি থেকে মক্ষিরানী সাধনা (৩৫) ও দাউদকান্দি উপজেলার রহিমা বেগমকে (৩৮) আটক করা হয়। তবে উপজেলার একলারমপুর গ্রামের জায়েদ আলীর ছেলে পতিতা দালাল মোঃ উজ্জল এলাকাবাসীর ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে গাজীপুর গ্রামের ইসমাইলের স্ত্রী রুমি বেগম বাদী হয়ে তিতাস থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। এদিকে এই ঘটনা এলাকায় জানা জানি হওয়ার সাথে সাথে সাধনার দোসর দালালরা তাকে ছাড়িয়ে নিতে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন উপায়ে তদবীর চালিয়ে যাচ্ছে বলেও সূত্রে জানা যায়। তবে ওসি মনিরুল ইসলাম সাফ সাফ জানিয়ে দিলেন, আমরা তাকে অভিযোগের ভিত্তিতে আকট করেছি। মামলার

প্রস্তুতি চলছে। মামলা হলে তাকে কোর্টে প্রেরন করা হবে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, তিতাস উপজেলার গাজীপুর গ্রামের পাতলা পট্টির শাখাওয়াতের মেয়ে সাধনা আক্তার দীর্ঘদিন যাবৎ শাসক দলীয় এক শীর্ষ নেতার মদদে তার নিজ বাড়ীতে গড়ে তোলে পতিতালয়। মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকা থেকে পতিতা এনে এবং নিজে দেশে বিদেশে দেহ ব্যবসা করে রাতারাতি ধনাঢ্য বনে যায়। এ নিয়ে এলাকাবাসী মুখ খুললে তাদেরকে ওই দালালের সহযোগিতায় বিভিন্ন মিথ্যে মামলা ও প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে হয়রানি করা হয়। সাধনার এ হেন মিথ্যে মামলা থেকে রেহাই পায়নি সাংবাদিক পর্যন্তও। তার এই কর্মকান্ডের গতি স্থবির করতে কাজ করে এলাকার একাধিক সূত্র। অবশেষে গতকাল বৃহস্পতিবার তার নিজ বাড়ীতে পতিতাসহ দেহ ব্যবসায় লিপ্ত হলে এলাকার কিছু সচেতন জনগন তাদেরকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে তিতাস থানা পুলিশে সোপর্দ করে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার কয়েকজন জানান, সাধনা দীর্ঘদিন যাবৎই এই পতিতা ব্যবসা করে আসছে। তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। আজ তাদের এই অপকর্ম সহ্য করতে না পেরে আমরা তাদের হাতে নাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছি। তিতাস থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুল ইসলাম পিপিএম জানান, আমরা এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের ঘনটাস্থল থেকে আটক করেছি। তার বিরুদ্ধে নিজে ও জোড় করে পতিতা ব্যবসায় বাধ্য করার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় এক ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে জোড় করে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করারও অভিযোগও পাওয়া গেছে। এ বিষয়টি আমলে নেয়া হয়েছে। মামলা দিয়ে ভিকটিমকে মেডিকেল রিপোর্ট করা হবে। এবং অভিযোগ প্রমানিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

Check Also

আজ তিতাস উপজেলায় ৪৮ তম জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসার গ্রীষ্মকালীন খেলাধূলার ফাইনাল প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন – হোমনা-তিতাসের গণ মানুষের নেতা ও মাননীয় জাতীয় সংসদ ...