Home / জাতীয় / ইউপি নির্বাচনে বুলেট কার বুকে যাবে; সিইসির প্রতি খন্দকার মাহবুব

ইউপি নির্বাচনে বুলেট কার বুকে যাবে; সিইসির প্রতি খন্দকার মাহবুব

৪ মার্চ (তিতাস নিউজ): ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আইন শৃঙখলাবাহিনীর বুলেট কার বুকে যাবে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এমন প্রশ্ন করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। আজ (শুক্রবার) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক কাউন্সিল আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় শেষ বুলেটটি থাকা পর্যন্ত এর ব্যবহার করতে হবে, প্রশাসনের প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দিন আহমদের এমন নির্দেশের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, এই বুলেটটি কার বুকে যাবে? বিএনপির বুকে, নাকি আওয়ামী ভোট ডাকাতদের বুকে?

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী সংখ্যা কমিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে খন্দকার মাহবুব বলেন, আওয়ামী সন্ত্রাসীরা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট ডাকাতি করতে পারে সে জন্যই তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না জেনেও বিএনপির নির্বাচনে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনে গিয়ে তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও বিশ্ববাসীকে দেখাতে চাই, এই আওয়ামী লীগ কি ভয়ানক দল। আর তখন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে আন্দোলনের ডাক আসবে, তাতে তৃণমূলের জনগণ স্বতঃস্ফুর্তভাবে ঝাপিয়ে পড়বে।

এদিকে, বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল পণ্ডের ষড়যন্ত্র হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহ। তিনি আরও বলেন, সরকার বা অন্য কেউ বিএনপির কাউন্সিল পণ্ড করতে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে তাৎক্ষণিকভাবে তা নির্মূলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আজ (শুক্রবার) সকালে রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বিএনপির কাউন্সিল ভেন্যু পরিদর্শন শেষে, সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন হান্নান শাহ। ১৯ মার্চ বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল হওয়ার কথা রয়েছে।

হান্নান শাহ আরও বলেন, কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা থাকলে তা প্রতিহত করার জন্য আমরা প্রাথমিক গোয়েন্দা রিপোর্ট সংগ্রহ করব। এছাড়া আমাদের একাধিক মোবাইল টিম কাজ করবে। পরিচয়পত্র ও আমন্ত্রণপত্র দেখে কাউন্সিলর ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মেলনস্থলে প্রবেশ করানো হবে। যারা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করবেন তাদের সরবরাহকৃত নিরাপত্তা কার্ড বহন করতে হবে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তিগত সর্বশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বোম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড পেতে সরকারের কাছ থেকে সহযোগিতা চাওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এ সময়, স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, কাউন্সিলের প্রতিবন্ধকতা প্রথম অনুভূত হয়েছিল নিরাপত্তা নিয়ে। বাইরে-ভেতরে তাদের কোনো কূটকৌশল চালাচালি আছে কিনা? কাউন্সিল পণ্ড করার জন্য সরকার নানা ধরনের কৌশল অবলম্বন করতে পারে। একটি অনির্বাচিত সরকার যখন নির্যাতনমূলক আচরণ করে তখন কাউন্সিল শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলতে পারব না।

অপরদিকে, বিএনপি চেয়ারপারসন পদে নির্বাচনের জন্য খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলের যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এবং সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন দলের আরেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্থাপিত রিটার্নিং অফিসারের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ দুটি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।

Check Also

কুমিল্লায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা চালু করেছে সেনাবাহিনী

ডেস্ক রিপোর্ট ● কুমিল্লায় বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে ভ্রাম্যমান চিকিৎসাসেবা চালু করেছে বাংলাদেশ সেনাবা’হিনী, কুমিল্লা এরিয়া। ...